সেক্টর ও সেক্টর কমান্ডার

সেক্টর ও সেক্টর কমান্ডার

এম এ জি ওসমানী (সর্বাধিনায়ক)
গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার (উপ প্রধান সেনাপতি)
লে.কর্নেল আবদুর রব(উপ প্রধান সেনাপতি)

সেক্টর

সেক্টর কমান্ডার

সেক্টর/অঞ্চল

সময়

০১ মেজর জিয়াউর রহমান মেজর রফিকুল ইসলাম বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালী জেলার কিছু অংশ (মুহুরী নদীর পূর্ব অঞ্চল)। (এপ্রিল-জুন), (জুন-ডিসেম্বর)
০২ মেজর খালেদ মোশাররফ মেজর এ.টি.এম হায়দার ফরিদপুরের পূর্ব অঞ্চল, ঢাকা জেলার দক্ষিণাঞ্চল ও ঢাকা শহর, কুমিল্লা জেলা (আখাউড়া-আশুগঞ্জ রেল লাইনের পূর্ব অংশ ব্যতিত) এবং নোয়াখালী জেলা (মুহুরী নদীর পূর্ব অঞ্চল ব্যতিত)। (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর),(সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর)
০৩ মেজর কেএম শফিউল্লাহ মেজর এ এন এম নুরুজ্জামান কুমিল্লা জেলার কিছু অংশ (আখাউড়া-আশুগঞ্জ রেল লাইনের উত্তর অংশে), সিলেট জেলার কিছু অংশ (চুরামনিকাটিলাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ অক্ষের দক্ষিণ অংশ), ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ সাব-ডিভিশন ও ঢাকা জেলার উত্তরাঞ্চল। (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর),(সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর)
০৪ মেজর জে: সি আর দত্ত সিলেট জেলার নিম্নোক্ত অঞ্চল সমূহ -১. পশ্চিম সীমান্তঃ তামাবিল-আজমিরিগঞ্জ-লাখাই অক্ষ।২. দক্ষিণ সীমান্তঃ লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ অক্ষ। (এপ্রিল- ডিসেম্বর)
০৫ মেজর মীর শওকত আলী তামাবিল-আজমিরিগঞ্জ অক্ষ বরাবর সিলেট জেলার পশ্চিমের বাকি অংশ। (এপ্রিল- ডিসেম্বর)
০৬ উইং কমান্ডার এম. কে. বাশার। যমুনার পশ্চিমে রংপুর ও দিনাজপুর জেলা, রাণীশঙ্কাইল-পীরগঞ্জ-বীরগঞ্জ লাইনের উত্তরাংশ ও রংপুর জেলার পীরগঞ্জ-পলাশবাড়ী লাইনের উত্তর ও পূর্বাঞ্চল নিয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়েছিল। দিনাজপুরের রাণীশঙ্কাইল, পীরগঞ্জ, বীরগঞ্জ ও রংপুরের পীরগঞ্জ, পলাশবাড়ী ৭ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিলো। (এপ্রিল- ডিসেম্বর)
০৭ মেজর কাজী নুরুজ্জামান সমগ্র রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া জেলা, দিনাজপুর ও রংপুরের অংশবিশেষ (দিনাজপুরের রাণীশঙ্কাইল-পীরগঞ্জ লাইনের দক্ষিণাংশ ও রংপুরের পলাশবাড়ী-পীরগঞ্জ লাইনের দক্ষিণাংশ। (এপ্রিল- ডিসেম্বর)
০৮ মেজর আবু ওসমান চৌধুরী মেজর এম. এ. মঞ্জুর কুষ্টিয়া ও যশোহরের সমগ্র এলাকা, ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ, খুলনা জেলার সাতক্ষীরা মহকুমা। সীমানাঃ উত্তরে পদ্মা নদী। পদ্মা-যমুনার মোহনা থেকে মাদারীপুর পর্যন্ত এর পূর্ব সীমান্ত এবং মাদারীপুর-সাতক্ষীরা কাল্পনিক লাইন ছিলো দক্ষিণ সীমান্ত। ফরিদপুর জেলার মাদারীপুর ৯ নং সেক্টরে অন্তর্ভুক্ত হয়। (এপ্রিল-অক্টোবর)(আগস্ট-ডিসেম্বর)
০৯ মেজর এম. এ. জলিল  (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) সমগ্র বরিশাল, পটুয়াখালী ও খুলনা জেলা (সাতক্ষীরা বাদে), ফরিদপুর জেলার অংশ বিশেষ এবং গোপালগঞ্জ। (এপ্রিল- ডিসেম্বর)
১০ মুক্তিবাহিনীর ট্রেনিংপ্রাপ্ত নৌ-কমান্ডারগণ এই সেক্টরের জন্য কোন এলাকা নির্দিষ্ট করা হয়নি। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এবং নৌ বাহিনীর কমান্ডোদের সমন্বয়ে এই সেক্টর তৈরি করা হয়েছিলো যাতে করে স্বাধীন এলাকাগুলোকে রক্ষা করা যায় এবং বাংলাদেশের অন্তর্বতীকালীন সরকার এই সকল এলাকায় প্রধান কার্যালয় স্থাপন করে কার্যμম চালিয়ে নিতে পারে। নৌ বাহিনী কমান্ডোদের বিভিনড়ব সেক্টরে পাঠানো হতো পাকিস্তানী নৌযান ধ্বংস ও বন্দর এলাকাগুলোয় আক্রমণ চালানোর জন্য। অভিযান পরিচালনার সময় কমান্ডোরা ওই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডারদের তত্ত্বাবধানে ও পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করতেন। মিশন শেষে তারা ফিরে এসে ১০ নং সেক্টরের সদস্য হিসাবে অবস্থান করতেন। (এপ্রিল- ডিসেম্বর)
১১ লেঃ কর্ণেল এ. তাহেরফ্লাইট লেঃ এম হামিদুল্লাহ কিশোরগঞ্জ মহকুমা বাদে সমগ্র ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা। উত্তরে যমুনা নদীর তীরে বাহাদুরাবাদ ঘাট ও ফুলছড়িঘাট এই সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। (আগস্ট-নভেম্বর),  (৩ নভেম্বর-ডিসেম্বর)

তথ্যসুত্রঃ মুক্তিযদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বিভিন্ন বই ও মিডিয়া।